দেখা
সেই মায়াময় দেখাটির ভেতর ঈষৎ
অস্বস্তি লুকিয়ে ছিল,
ছিটকে আসা আলোয় তখন বয়ঃসন্ধির
রঙিন মোড়ে
১৯ বছরের ফ্রক ওড়ে, উত্তেজিত
দূরত্ব মুগ্ধবোধে কাঁপে-
জানলা কী খোঁজে, অল্পবয়সের চাউনি,
ওড়নায় জড়ানো হাওয়া?
আগুন আমাদের চেনা, তাকে গ্রহণ
করতে গিয়ে পুড়েছে হাত,
সমস্ত শহরের পথ নেমে এসেছে
রাত্রির শেষে পায়ে পায়ে…
তুচ্ছ এই যাত্রাপথে আমিও তোমার
সঙ্গী ছিলাম সুমনা বোস।
পাইনি সাড়া, টুপটাপ ঝরে পড়ে তোমার
আশ্চর্য মাধুর্য…
কাটাকুটির তুমুল খেলার ঢেউ এসে
মুছে দেয় সমস্ত দাগ।
ভাঙ্গন
বিকেলের নির্জন ঘরে সন্ধে নামছে
খুব ধীর লয়ে…
হারমোনিয়ামের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে
তোমার কন্ঠস্বর।
তোমার জন্য প্রতীক্ষায় রয়েছে
আমাদের চঞ্চল শহর
রাত্রি আসে, শুরু হয় কালো রঙের
হামলা, কাঁপে ছায়া…
বসন্ত শুরুতেই ঘুমহীন চোখে জেগে
ওঠে চকচকে চোখ
ইস্কুলবেলা, দস্যিপনা, সম্পর্কের
ঘনিষ্টতা ক্রমশ শুরু হয়
সম্পর্ক স্থাপিত হয় স্রেফ দু’জনের
মধ্যে, নৌকা দোলে…
আঁধারে দু’পায়ে ঘুঙুরের শব্দে
অন্যমনস্ক খেলায়…
অবাধ্য মন লেখে শ্রীরাধা এসো ঢেউ
খেলানো ডানায়…
কে দেখায় রাগ-রাগিণীর মায়াবী
সৌন্দর্য বলয় রেখা।
ছবিঃ তাপস দাস

কবিকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর কবিতা উপহার দেওয়ার জন্য।
উত্তরমুছুন