কবিতাঃ বেবী সাউ

 



জন্মান্তরবোধ

 ১.

একেকটি আসা চলে যাওয়ার গন্ধ নিয়েই আসে। আর আমি তাকেই আত্মীয় সাজিয়ে বসি। বলিকেমন আছে ঘরবাড়িদুপুরের সিঁড়ি! শহরের ইতিকথা! চুপচাপ শোনে আর বেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা খোঁজে...

 

নির্জন! এক বসত আলো ধরে 

শীতের দেশে ফেরার গানে শোক

হঠাৎ করে বেজার মুখে দেখো

হাত পেতেছে জমিয়ে রাখা রোদ

 

ওপারে ওই নৌকো ভাসা জলে

মেঘের কোন গল্প লেখে যারা

নবাবি চালে তারাই যেন আজ

সকাল জুড়ে কষ্টে দিশেহারা

 

আমিও তুমি শীত লুকোনো ছলে

পদ্য লিখি নিয়ম মত রাতে

                রোজ দুবেলা...

 

২.

এইসব ইচ্ছেমৃত্যু। মোমবাতির আলোয় পেতে ধরি হিসেব। চোদ্দ আনা। দু পয়সা মুড়ে দিই পাখির ডানায়। দোটানার স্বর। জবাফুলে ফুটে ওঠা টকটকে সাঁজি পান। চুন খয়ের... নাও এবার চিত্রশিল্প সাজাও...

 

সহস্র বছর পোষা আমাদের এই যাত্রাপথ

 

বাঁকালিচু গাছে ঝুলে আছে সেই প্রাচীন শতাব্দী

ডালে ডালে তার জন্মমৃত্যুশোকমন্বন্তর

পাতায় পাতায় লেগে প্রসূতির ঋতুওই পাণ্ডুরবর্ণ টুকু বাদ দিলে

 

আর কিছু পড়ে নেই


ছবিঃ তিয়াসা ভৌমিক

1 টি মন্তব্য:

  একটি   লড়াকু   পত্রিকা সম্পাদকমণ্ডলীঃ   অভিজিৎ   ঘোষ ,  অনির্বাণ সরকার ,  এয়োনিয়ান   অনির্বাণ ,  সুমিত পতি ,  মনোহর   হোসেন   মণ্ডল, চিরঞ্...