কবিতাঃ মানস চক্রবর্তী

 সাধারণ জ্ঞান

টিকে থাকার অন্যতম শর্ত হিসেবে নিয়মিত আমরা হাগি। ভাবি জল ঢেলে ঢেলে পগার পার করে দেব স্বউদ্ভাবিত আবর্জনা। আমাদের অলক্ষে গু জমে জমে ক্রমশ কঠিন হয়। আধুনিক জ্ঞানে আমরা বুঝি মাটি হয়ে যায় সব শেষমেশ।

 সব মাটি হয় না।

  

প্রতিদিন খাবার দাবার এবং জলের সঙ্গে যতরাজ্যের ভয় অপমান অন্যায় হজম করে থাকি। এবং অবশ্যই হজম ঠিকঠাক হলে রক্তে মিশে যায় অন্যায় অপমান ভয়। হজম ঠিকঠাক হওয়া যেমন স্বাভাবিক, তেমনই বদহজমও। ফলে গুয়ের সঙ্গে অন্যায় বের করে দিয়ে আমরা নিশ্চিন্ত হই। ঘামের সঙ্গে অপমান বের করে দিয়েও তাইই। কেবল ভয়ের ইঁট গ্যাসীয় আকার ধারণ করে ক্রমশ বুক ঠেসে ধরে। খালি মনে হয় এই বেরোবে, এই বেরোবে। আসলে ঘুরপাক খেতে থাকে। বিষ হয়ে যায়। বের হতে পারলে বিষ্ফোরণ বাইরে— না পারলে ভিতরে

 

মানুষের আসলে চোখকান কিছুই নেই— কোনোদিনই ছিল না। কেবল খাড়া একটা নাক সম্বল। নাক মানে গন্ধ সম্বল। অবশ্য নিজের গুয়ের গন্ধ মানুষ কোনোদিনই পায়নি। ফলে একথা নিশ্চিত করে বলা যায় মানুষের কাজে লাগে মূলত একটিই ইন্দ্রীয় জিভ

 

ত্বকের কথা হচ্ছে না। আমাদের এখন শারিরীক দূরত্বের যুগ। অস্পৃশ্যতার বাস্তবতা আমাদের নিয়ে ডাংগুলি খেলছে অদৃশ্য এবং প্রকান্ড এক পুকুর গাবালে। অবশ্য এমনিতে আত্মরক্ষার শর্ত মানতে গিয়ে আজন্ম চামড়া মোটা করতেই শিখেছি। ফলে ত্বকের কোনো চান্সই নাই।

 

সেন্স সেন্স করে হই হই করে ওঠার কোনো কারণ নেই। গুয়ের দৃশ্যে আমরা জানি সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট সেন্স হল রিলিফ। হাঁফ ছেড়ে বাঁচার কথা হচ্ছে না। হেগেমুতে বাঁচার ফিকিরে এত কথা

1 টি মন্তব্য:

  একটি   লড়াকু   পত্রিকা সম্পাদকমণ্ডলীঃ   অভিজিৎ   ঘোষ ,  অনির্বাণ সরকার ,  এয়োনিয়ান   অনির্বাণ ,  সুমিত পতি ,  মনোহর   হোসেন   মণ্ডল, চিরঞ্...