কবিতাঃ শক্তি কুম্ভকার

 মৌচাক ভেঙে কেউ মধু চুরি করে নিয়ে গেছে

 মৌচাক ভেঙে কেউ মধু চুরি করে নিয়ে গেছে

গাছ তার ডালে চিহ্ন এঁকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।

মেঘ যখন করে এসেছে, বৃষ্টি ঝরতে দাও

স্বপ্নদের নষ্ট করেছি এই দোষে দীর্ঘ অনাবৃষ্টি এসেছিল

হিংসার বীজ থেকে গাছ হয়েছে এই অবসরে

তার ডালে বসে এখন পুকুর ঘাটের স্নানদৃশ্য দেখি,

সযত্নে ঢেকে রাখা শরীরের অন্ধকার ছিদ্র দিয়ে

পুকুরের পচা জল ভেতরে ঢুকতে গিয়ে ঠোক্কর খেয়ে ফিরে আসে

পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছ জল থেকে ছায়া সরিয়ে নেয়,

অন্ধকারের দাগ লেগে থাকে গাছের মগডালে

যেখানে একদিন মৌমাছিদের শ্রম জমা করা ছিল।

         

ঘুণপোকার কাঠ খেয়ে চলার মতো সহজ ও অবিরাম

 ঘুণপোকার কাঠ খেয়ে চলার মতো সহজ, অবিরাম

কেউ আমাদের আর্তনাদ, হতাশা লিখে রেখে যায়

সব বিশুদ্ধ কথারাই কাজ এড়িয়ে গিয়ে দূরের রাস্তা ধরে ধীর পায়ে হাঁটে

কিছুটা পথ গড়িয়ে গিয়ে মাটিতে হারিয়ে যাওয়া জল

বরাদ্দ সময় শেষে দাগ এঁকে মুছে যাওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকে

আমরাও ফুরিয়ে আসছি জেনে কুমড়ো লতাতে একটা কুজো ফল বেড়ে চলে

ঘুণপোকার কাঠ খেয়ে চলার মতো সহজ ও অবিরাম

খাবার নিঃশেষিত হয়, পাকা কুমড়োয় চেপে টক গন্ধ আসে ঘরে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

  একটি   লড়াকু   পত্রিকা সম্পাদকমণ্ডলীঃ   অভিজিৎ   ঘোষ ,  অনির্বাণ সরকার ,  এয়োনিয়ান   অনির্বাণ ,  সুমিত পতি ,  মনোহর   হোসেন   মণ্ডল, চিরঞ্...